পরিশিষ্ট-৪
ফি, ইত্যাদি
[৪(২), ৭(১), ৮(২), ১৩(৯), ১৪(১), ১৬(৫), ১৬(৬), ২২(২), ২৩(১), ২৫(২), ২৬(১), ২৭ দ্রষ্টব্য]
- (ক) পরিকল্পনা অনুমোদন পত্র, উহার আপিল ও মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য আবেদন ফি: প্রতি বারের জন্য ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা।
- (খ) প্লটভিত্তিক আবাসন আবেদন ফি: প্রতি কাঠার জন্য ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা।
- (গ) ইমারত নির্মাণ অনুমোদন ফি: ইমারত ব্যবহারের শ্রেণির ভিত্তিতে নিম্নবর্ণিত ছকে প্রদর্শিত হারে সকল তলা মিলাইয়া সর্বমোট মেঝের এলাকার জন্য নির্ধারণযোগ্য হইবে, যথা:—
বিশেষ দ্রষ্টব্য:
১। একই সাইটে একাধিক শ্রেণির ইমারত নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রতিটি শ্রেণির জন্য আলাদা আলাদা হিসাবে সর্বমোট মেঝের এলাকার জন্য ফি প্রদান করিতে হইবে।
২। মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, গীর্জা প্রভৃতি ধর্মীয় উপাসনালয়ের কোন অংশ ধর্মীয় উপাসনা এবং তাহার আনুষঙ্গিক ব্যবহার ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাইবে না এবং উপাসনালয়ের জন্য ইমারত নির্মাণ অনুমোদন ফি প্রদান করিতে হইবে না।
৩। মিশ্র উন্নয়নের ক্ষেত্রে, যে ব্যবহারের ফি বেশি নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে সেই ফি নির্ধারিত হইবে।
- (ঘ) পাহাড় কর্তন ও পুকুর খননের জন্য অনুমোদন, সংশোধন ও পরিবর্তন ফি: “বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (১৯৯৫ সনের ১ নং আইন)” এবং “বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ৬২ নং আইন)” অনুযায়ী নির্ধারিত হইবে।
- (ঙ) প্রাচীর নির্মাণের জন্য অনুমোদন, সংশোধন ও পরিবর্তন ফি: প্রতি বর্গমিটারের জন্য ২০ (বিশ) টাকা এবং সর্বমোট ন্যূনতম ২,০০০ (দুই হাজার) টাকা।
- (চ) বিলবোর্ড (M2) স্থাপনের জন্য অনুমোদন, সংশোধন ও পরিবর্তন ফি: প্রতি বর্গমিটারের জন্য ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা এবং সর্বমোট ন্যূনতম ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা।
- (ছ) জলাধার (M2) নির্মাণের জন্য অনুমোদন, সংশোধন ও পরিবর্তন ফি: প্রতি ঘনমিটারের জন্য ১০০ (একশত) টাকা এবং সর্বমোট ন্যূনতম ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা।
- (জ) টাওয়ার (M2) নির্মাণ/স্থাপন এর জন্য অনুমোদন, সংশোধন ও পরিবর্তন ফি: প্রতি ঘনমিটারের জন্য ১০০ (একশত) টাকা এবং সর্বমোট ন্যূনতম ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা।
- (ঝ) ব্যবহার উপযোগিতা সনদপত্র ও সনদপত্র নবায়নের জন্য ফি: প্রতিবারের জন্য ১,০০০ (এক হাজার) টাকা।
- (ঞ) যেকোনো অপসারণের জন্য আবেদন ফি: ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা মাত্র।
- (ট) যেকোনো আপিলের জন্য আবেদন ফি: ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা মাত্র।
