পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ প্রতিবেদন
| ক্রমিক নং | বিষয় | বর্ণনা |
|---|---|---|
| (১) | (২) | (৩) |
| ১। | নির্বাহী সারসংক্ষেপ (Executive Summary) | নির্বাহী সারসংক্ষেপে অকারিগরি (Non-technical) ভাষায় লিখিত সমীক্ষায় প্রাপ্ত তথ্য এবং সুপারিশ থাকিবে। ইহাতে নিম্নোক্ত তথ্যাদি অন্তর্ভুক্ত করিতে হইবে : • প্রকল্পের বিবরণ : প্রস্তাবিত প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত বিবরণ। • সমীক্ষায় প্রাপ্ত তথ্য (Study findings): পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ এর কার্যপরিধি বা সমীক্ষার মাধ্যমে চিহ্নিত প্রধান পরিবেশগত ইস্যুসমূহের আলোকে নিরূপিত পরিবেশগত প্রভাব, প্রশমনমূলক ব্যবস্থা এবং পরিবীক্ষণ কর্মসূচির সারসংক্ষেপ। |
| ২। | সাধারণ তথ্যাবলি (General Information) | সাধারণ তথ্যাবলি প্রদানের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত তথ্য অন্তর্ভুক্ত করিতে হইবে : • প্রকল্পের ও প্রকল্পের উদ্যোক্তার নাম এবং যোগাযোগের ঠিকানা; প্রকল্পের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম, পদবি, ফোন নম্বর ও ই-মেইল এবং পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ সংক্রান্ত কোনো বিষয় অনুসন্ধানের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম, পদবি, ফোন নম্বর ও ই-মেইল। • পরিবেশবিষয়ক পরামর্শক: পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের নাম, যোগযোগের ঠিকানা এবং ই-মেইল; সমীক্ষা দলের প্রত্যেক সদস্যের নামের তালিকা, সমীক্ষার অধিক্ষেত্র এবং স্বাক্ষর। |
| ৩। | প্রকল্পের বিবরণ ও প্রকল্পের অপশনসমূহ (Project Description) | • প্রকল্পের বিবরণ দেওয়ার সময় নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ অন্তর্ভুক্ত করিতে হইবে— • প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা: প্রকল্পের যৌক্তিকতা, উদ্দেশ্য এবং সুফল; |
| • প্রকল্পের বিবরণ: প্রকল্পের বিবরণ প্রদানের ক্ষেত্রে প্রকল্প কার্যক্রম, অবস্থান, লে-আউট, সময়সূচিসহ প্রকল্প বাস্তবায়নের ধাপসমূহ এবং প্রকল্পের সম্ভাব্য সম্প্রসারণের বিষয়ের উল্লেখ থাকিতে হইবে। ইহাতে নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ থাকিতে হইবে : • জমির পরিমাণ : প্রয়োজনীয় জমির পরিমাণ, জমির মালিকানা, ভূমি অধিগ্রহণ ইত্যাদি। • প্রকল্পের অবস্থান ও পারিপার্শ্বিক এলাকা : প্রকল্পের অবস্থান (লোকেশন ম্যাপসহ), লে-আউট প্ল্যান যাহাতে ইউটিলিটিস, মেশিনারি, স্টোরেজ ইয়ার্ড, অবকাঠামো, পরিবহণ রুট এবং অন্যান্য কাঠামো প্রদর্শন করিতে হইবে। • প্রকল্পের বিবরণ : সাইট লে-আউট, ফ্লো-ডায়াগ্রামসহ উৎপাদন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত বিবরণ, উৎপাদন ক্ষমতা, উৎপাদিত পণ্যের নাম ও পরিমাণ এবং ইউটিলিটিসমূহের বিবরণ। • প্রকল্প কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন সময়সূচি : প্রকল্পের ভূমি উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ ও পরিচালনাকালীন গৃহীতব্য প্রধান কার্যক্রমের তালিকা; প্রকল্প উন্নয়নের ধাপ এবং বাস্তবায়ন কাল (Schedule)। • সম্পদ ও উপযোগমূলক সেবার চাহিদা : তৈল, গ্যাস, বিদ্যুৎ, কয়লা ইত্যাদি জ্বালানির চাহিদা; কাঁচামালের তালিকা, পরিমাণ ও উৎস; পানির চাহিদা ও উৎস, কাঁচামাল ও উৎপাদিত পণ্য হ্যান্ডলিং ও স্টোরেজের জন্য নির্মিতব্য অবকাঠামো; অন্যান্য সাপোর্টিং অবকাঠামো, ইউটিলিটি এবং সার্ভিসের চাহিদা; প্রকল্পের উন্নয়ন ও পরিচালনার সময় কর্মসংস্থানের সুযোগ। • দূষণের সম্ভাবনা (Pollution potential) : • প্রকল্পের অপশনসমূহ : অপশনসমূহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ, গ্রহণযোগ্য অপশন বাছাই এবং অন্যান্য অপশন বাতিলের যৌক্তিকতা। | ||
| ৪। | প্রকল্প এলাকার বিদ্যমান পরিবেশগত অবস্থা (Existing Environmental Condition) | পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ এ সমীক্ষাধীন এলাকার বিদ্যমান পরিবেশের বর্ণনায় নিম্নোক্ত বিষয়ের উপর তথ্য ও উপাত্ত প্রদান করিতে হইবে : • ভৌত পরিবেশ : টপোগ্রাফি, জিওলজি, জিও-মর্ফোলজি, মৃত্তিকা, ড্রেনেজ, হাইড্রোলজি এবং পানি সম্পদ, আবহাওয়া ও জলবায়ু, বায়ু ও পানির গুণগত মান, শব্দের মাত্রা, বিদ্যমান দূষণের উৎসসমূহ ইত্যাদি। • জীব পরিবেশ : প্রতিবেশ ব্যবস্থা (উদ্ভিদকুল, প্রাণিকুল, স্থলজ আবাসস্থল, সামুদ্রিক/জলজ আবাসস্থল), জলভূমি, এনডেমিক/থ্রেটেন্ড/এনডেঞ্জারড প্রজাতি, নিকটতম সংরক্ষিত, সংবেদনশীল বা সংকটাপন্ন আবাসভূমি (Habitat)। • ভূমি ব্যবহার : বিদ্যমান এবং প্রস্তাবিত ভূমি ব্যবহার, সংরক্ষণের জন্য প্রতিবেশগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। • সামজিক পরিবেশ : জনসংখ্যার বণ্টন (Population distribution), অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, ভৌত অবকাঠামো ও পরিষেবা, সামাজিক-সাংস্কৃতিক অ্যামিনিটিস, জনস্বাস্থ্য। • মানচিত্র, লেখচিত্র ও ছবি : প্রকল্প এলাকার বর্ণনার সহিত নিম্নোক্ত তথ্য, ম্যাপ, ছবি এবং অন্যান্য ভিজুয়্যাল তথ্য যুক্ত করিতে হইবে। • প্রকল্প এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার পরিবেশের হালনাগাদ ছবি। • প্রকল্পের লোকেশন (অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশসহ), প্রকল্প এলাকা এবং সমীক্ষা এলাকার ভৌগোলিক সীমারেখা; প্রস্তাবিত প্রকল্পের অবস্থান-নির্দেশক ম্যাক্রো স্কেল ম্যাপ (১: ৫০,০০০ এবং ১: ২৫,০০০), প্ল্যান, ছবি অথবা স্যাটেলাইট ইমেজ; স্পষ্ট, পাঠযোগ্য, রঙিন ভূমি ব্যবহারের ম্যাপ। সাম্প্রতিক বিদ্যমান পরিবেশের অবস্থা অনুধাবনের জন্য হালনাগাদ স্যাটেলাইট ইমেজ ব্যবহার করা যাইতে পারে। ভূমি ব্যবহারের ম্যাপে ন্যূনতম ৫ কি.মি. ব্যাসার্ধের এলাকা অন্তর্ভুক্ত করিতে হইবে। • বিদ্যমান পরিবেশের অবস্থা বুঝাইবার জন্য প্রস্তাবিত প্রকল্পের ধরন অনুসারে অন্যান্য কোনো ম্যাপ, যথা- টপোগ্রাফি ম্যাপ, জিওলজিক্যাল ম্যাপ, হাইড্রোলজিক্যাল ম্যাপ ইত্যাদি। |
| ৫। | পরিবেশগত প্রভাব পূর্বানুমান ও মূল্যায়ন (Impact Predication and Evaluation) | পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ এর কার্যপরিধিতে যেসকল পরিবেশগত ইস্যু চিহ্নিত করা হইয়াছে বা পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ সমীক্ষায় যে আরও অতিরিক্ত পরিবেশগত ইস্যু চিহ্নিত হইয়াছে সেইগুলির প্রভাব নিরূপণ (Impact Assessment) করিতে হইবে। প্রভাব নিরূপণ প্রধানত নিম্নোক্ত তিনটি ধাপে সম্পন্ন করিতে হইবে, যথা : • প্রভাব চিহ্নিতকরণ (Impact Identification): প্রকল্পের প্রতিটি ধাপের সুনির্দিষ্ট এবং বিশদ প্রভাব চিহ্নিত করিতে হইবে। সকল গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবসমূহ বিবেচনা করিতে হইবে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ পরোক্ষ এবং ক্রমপুঞ্জীভূত (Cumulative) প্রভাবসমূহও চিহ্নিত করিতে হইবে। • প্রভাব পূর্বানুমান (Impact Predication): গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবসমূহের প্রকৃতি, বিশালত্ব, বিস্তার এবং স্থায়িত্ব (nature, magnitude, extent and duration) ইত্যাদি পূর্বানুমান করিতে হইবে। প্রভাব নিরূপণের জন্য একাধিক গুণবাচক বা পরিমাণবাচক পূর্বানুমান টুল রহিয়াছে। এইক্ষেত্রে সমীক্ষাধীন প্রকল্প এবং প্রকল্প এলাকার জন্য যথোপযুক্ত টুল বা মডেল নির্বাচন করিতে হইবে। • প্রভাব মূল্যায়ন (Impact Evaluation): প্রকল্পের কার্যক্রমের ফলে সৃষ্ট পরিবেশগত প্রভাব নিম্নোক্ত নির্ণায়কের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করিতে হইবে: প্রভাবের মাত্রা (Magnitude of impact) প্রভাবের বিস্তার (Extent of effect) প্রভাবের স্থায়িত্বকাল (Duration of the impact) ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা বা অবস্থার পূর্বাবস্থায় ফিরিয়া যাওয়া (Reversibility of condition/impacted area) পুঞ্জীভূত প্রভাব (Cumulative impact) প্রকল্পের কার্যক্রমের ফলে সৃষ্ট পরিবেশগত প্রভাবের বিষয়ে উল্লিখিত নির্ণায়কের ভিত্তিতে গৃহীত সিদ্ধান্ত নিম্নরূপ হইবে : কোনো প্রভাব নাই (No impact) প্রভাব তাৎপর্যপূর্ণ (Significat impact) প্রভাব অতাৎপর্যপূর্ণ (Insignificant impact) অজানা প্রভাব (Unknown impact) প্রশমনযোগ্য প্রভাব (Mitigated impact) |
| ৬। | প্রশমনমূলক ব্যবস্থা (Mitigation Measures) | পরিবেশগত প্রভাব নিবৃত্তির জন্য বাস্তবসম্মত, সুলভ এবং কার্যকর প্রশমনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করিতে হইবে। পরিবেশগত প্রভাব নিবৃত্তির জন্য সম্ভাব্য সকল বিকল্প উপায় মূল্যায়ন করিয়া সর্বোত্তম সমাধানের জন্য পরামর্শ প্রদান করিতে হইবে যাহার ব্যয় উদ্যোক্তার জন্য সহনীয় এবং প্রকল্পের নেতিবাচব প্রভাব অবলোপনের জন্য যৌক্তিকভাবে গ্রহণযোগ্য। প্রশমনমূলক ব্যবস্থার কার্যকারিতা পরিমাপযোগ্য হইতে হইবে যাহাতে পরিবীক্ষণ এবং অডিটিং-এর মাধ্যমে তাহা প্রমাণ করা যায়। সুপারিশকৃত প্রতিটি প্রশমনমূলক ব্যবস্থার বিস্তারিত বিবরণ প্রদান করিতে হইবে। প্রকল্পের বিস্তারিত ডিজাইনে কখন এবং কীভাবে এইগুলি অন্তর্ভুক্ত হইবে তাহার উল্লেখ করিতে হইবে। প্রস্তাবিত সকল প্রশমনমূলক ব্যবস্থার প্রাক্কলিত ব্যয় সম্ভব হইলে প্রদান করিতে হইবে। |
| ৭। | পরিবীক্ষণ কর্মসূচি (Monitoring Programme) | পরিবীক্ষণ কর্মসূচির ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত বিষয়ে বিবরণ প্রদান করিতে হইবে: • প্রশমনমূলক ব্যবস্থা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ: সুপারিশকৃত সকল প্রশমনমূলক ব্যবস্থার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করিবার জন্য পরিবীক্ষণ পদ্ধতি নির্ধারণ করিতে হইবে। এই উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত তথ্য প্রদান করিতে হইবে : সুপারিশকৃত প্রশমনমূলক ব্যবস্থাসমূহ যে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা হইয়াছে তাহা পরীক্ষা করার পদ্ধতি (Methodology); প্রশমনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের লোকেশন এবং পরিবীক্ষণ সাইট নির্দেশক ম্যাপ এবং ছবি; প্রকল্প মেয়াদে সাইট পরিদর্শনের সংখ্যা উল্লেখপূর্বক সময়সূচি; প্রতিবেদন প্রেরণ এবং ফলাফল পর্যালোচনা/অডিটিং-এর পদ্ধতি এবং সময়সূচি • প্রকল্পের পরিবেশগত প্রভাব পরিবীক্ষণ: পরিবীক্ষণ কর্মসূচির আওতায় নেতিবাচক পরিবেশগত পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করিতে হইবে এবং এই লক্ষ্যে নিম্নলিখিত বিষয়ে বিস্তারিত বিবরণ পরিবীক্ষণ কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করিতে হইবে : প্রধান পরিবেশগত ইস্যুর জন্য ইন্ডিকেটর পরিবেশগত মানমাত্রা এবং প্রকল্পে তাহাদের প্রয়োগ পরিবীক্ষণ পদ্ধতি, লোকেশন এবং সময়সূচি উদ্যোক্তার দায়িত্ব (পরিবীক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল, বাজেট এবং পরামর্শ সেবার প্রয়োজনীয়তা) পরিবীক্ষণ রিপোর্টিং |
পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রতিবেদন
| ক্রমকি নং | বিষয় | বিবরণ |
|---|---|---|
| (১) | (২) | (৩) |
| ১। | ভূমিকা (Introduction) | • প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য |
| ২। | প্রকল্পের বিবরণ (Project Description) | • লোকেশন, এরিয়া এবং প্রকল্পের উদ্দেশ্য • প্রকল্পের লে-আউট এবং ডিজাইন • প্রকল্পের বাস্তবায়ন পরিকল্পনা এবং সময়সূচি • প্রকল্পের অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য |
| ৩। | পরিবেশগত নীতিমালা (Environmental Policy) | • পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা এবং সংরক্ষণসংক্রান্ত কোম্পানির নীতি |
| ৪। | পরিবেশগত প্রতিপালনীয় বিষয় (Environmental Compliance Requirements) | • প্রতিপালনীয় আইনগত মানমাত্রা • পরিবেশ অধিদপ্তর বা অন্য কোনো সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত পরিবেশগত শর্তসমূহ • উদ্দেশ্য ও নির্ণায়কসমূহ যাহা পূরণ করা হইবে • নীতিসমূহ যাহাতে অবিচল থাকা হইবে • উত্তম চর্চাসমূহ যাহা প্রয়োগ করা হইবে |
| ৫। | পরিবেশগত প্রভাব এবং প্রশমনের ব্যবস্থা (Environmental Impacts and Mitigation Measures) | • প্রকল্প কার্যক্রমের বিস্তারিত তালিকা এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত প্রভাব; • গৃহীতব্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাসমূহ; • প্রাকৃতিক সম্পদ, প্রতিবেশগত ব্যবস্থা, সাইট, এলাকার বৈশিষ্ট্য কিংবা প্রজাতি সুরক্ষার জন্য গৃহীতব্য সংরক্ষণমূলক কার্যক্রম; • সামাজিক এবং পাবলিক ইস্যু (সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয়) মোকাবিলা ব্যবস্থা |
| ৬। | পরিবেশগত সার্ভেইল্যান্স, পরিবীক্ষণ এবং অডিটিং (Environmental Surveillance, Monitoring and Auditing) | • প্রস্তাবিত প্রশমন ব্যবস্থাসমূহের যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করিবার লক্ষ্যে গৃহীতব্য সার্ভেইল্যান্স এবং পরিবীক্ষণ কর্মসূচি রূপরেখা; পরিবেশগত অবস্থা পরিবীক্ষণ করিবার জন্য যেসকল পদ্ধতি ও প্রণালি (Procedures and methods) গ্রহণ করা হইবে তাহার রূপরেখা; সার্ভেইল্যান্স ও পরিবীক্ষণ কত সময় পরপর করা হইবে; পরিবেশ ছাড়পত্রের শর্তসমূহ প্রতিপালন যাচাই করিবার জন্য প্রস্তাবিত অডিট কর্মসূচি ডেটা সংগ্রহ এবং পরিবেশ অধিদপ্তরে দাখিলের জন্য প্রতিবেদন প্রণয়ন |
| ৭। | আকস্মিক পরিস্থিতি মোকাবিলা পরিকল্পনা (Contigency Planning) | • অস্বাভাবিক এবং জরুরি পরিস্থিতি (যেমন : উৎপাদন প্রক্রিয়ার যন্ত্রপাতি বিকল, আগুন, গ্যাস লিক, বিপজ্জনক পদার্থে বিচ্ছুরণ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রপাতি বিকল) মোকবিলা করিবার পরিকল্পনা। • জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার পরিকল্পনায় নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ অন্তর্ভুক্ত করিতে হইবে, যথা : জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় গৃহীতব্য পদ্ধতি ও উপায়সমূহ (Procedures and measures) সুরক্ষা ব্যবস্থা (কর্মরত স্টাফ ও সাধারণ জনগণের জন্য) জরুরি পরিস্থিতিকালীন যেসকল সংস্থা/যাহার সহিত যোগযোগ করিতে হইবে এবং পরবর্তীকালে অবহিত করিতে হইবে সুরক্ষাবিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষামূলক কার্যক্রম |
| ৮। | সাংগঠনিক কাঠামো (Organizational Strucure) | • প্রতিষ্ঠানের সাংগঠনিক কাঠামো (ইএমপি বাস্তবায়ন এবং সংশ্লিষ্ট কাজের তত্ত্বাবধানের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত স্টাফসহ) • ইএমপি বাস্তবায়নের কাজের সহিত সংশ্লিষ্ট স্টাফদের দায়িত্ব ও কর্মপ্রণালি (Responsibilities and work Procedure) • প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ এবং বহিঃসংস্থাকে (যেমন: পরিবেশ অধিদপ্তর) রিপোর্ট করিবার প্রক্রিয়া (Reporting hierarchy) • বাহিরের সংস্থা বা ব্যক্তির নিকটি হইতে সেবা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা (যেমন : পরিবেশগত পরিবীক্ষণ-এর জন্য গবেষণাগার, স্লাজ পরিত্যজনের জন্য ঠিকাদার) • প্রশিক্ষণ কর্মসূচি |
| ৯। | বাজেট এবং বাস্তবায়ন কর্মসূচি (Budget and Implementation Programme) | • ইএমপি বাস্তবায়ন কর্মসূচি • নিম্নোক্ত খাতে বাজেট বরাদ্দ : ০ প্রশমন ব্যবস্থাসমূহ বাস্তবায়ন ০ সার্ভেইল্যান্স, পরিবীক্ষণ এবং অডিটিং ০ প্রশিক্ষণ এবং ইমারজেন্সি রেস্পন্স |
